TOP NEWS

Showing posts with label মন ভালো করে দেয়া গল্প. Show all posts

Saturday, December 15, 2012

Story of the Bull - ষাঁড়ের গল্প


           একটা বিখ্যাত গল্প আছে, কেউ কেউ হয়ত শুনে থাকবেন ৷ গল্পটা চারটি গরুকে নিয়ে ৷ তিনটি কালো, একটি সাদা ৷ তারা একটা শ্বাপদসংকুল এলাকায় বাস করতো ৷ এজন্য নিরাপত্তার খাতিরে তারা একসাথে থাকত এবং একে অপরের প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রাখতো ৷ যার ফলে তারা টিকে ছিল ৷ একদিন কালো তিনজন একত্র হল এবং বলল এই সাদা গরুটার জন্য আমরা ধরা পড়ে যাব ৷ আমরা কালো বলে রাতের বেলা শত্রু আমাদের দেখতে পায়না, কিন্তু তাকে দেখতে পায় ৷ চল ঐ গরুটাকে আমরা পরিত্যাগ করি ৷ তারপর আমরা তিনজন একসাথে থাকবো ৷যেমন কথা তেমন কাজ ৷ সেদিন থেকেই কালো গরুগুলো সাদাটাকে বয়কট করল, তিনজন একপাশে থাকত আর বেচারা সাদা গরু আরেক পাশে ৷

সেখানকার নেকড়ে, এই গরুদের মধ্যে অনৈক্য বুঝে ফেললো এবং সে সাদা গরুটার উপর ঝাঁপিয়ে পড়লো ৷ যখন নেকড়ে সাদা গরুটার গোশত খুলে খুলে খাচ্ছিল, তখন কালো গরুগুলো কোন বাধা দিলনা ৷ তারা তাকিয়ে তাকিয়ে তাদের ভাইকে টুকরো টুকরো হতে দেখছিল ৷

পরের রাতে নেকড়ে কালো গরুগুলো উপর আক্রমণ করলো, কারণ তাদের শক্তি কমে গেছে ৷ এজন্য নেকড়ে একটা কালো গরুকে ছিনিয়ে নিতে সক্ষম হলো ৷

পরের রাতে নেকড়ের জন্য কাজটা আরো সহজ হয়ে গেল, কারণ গরু আছেই মাত্র দু'টো ৷ নেকড়ে খুব সহজে আরেকটা গরু খেয়ে নিল ৷

শেষ রাতে গরু বাকি রইল মাত্র একটা ৷ গরুটা ভয়ে এদিক ওদিক ছুটোছুটি করলো, কিন্তু তার কোন সাহায্যকারী নেই ৷ নেকড়ে বুঝল গরুটা দৌড়াদৌড়ি করে হাঁপিয়ে একসময় পড়ে যাবে, তাই সে মনের আনন্দে পায়চারি করতে লাগলো ৷ সময় সুযোগমত সে গরুটার উপর ঝাঁপিয়ে পড়লো ৷ জীবনের শেষ মুহূর্তে এসে গরুটা একটা কথা বলেছিল, খুবই শিক্ষণীয় কথা ৷ সে বলেছিল, ‘আমিতো সেদিনই খাদ্য হয়েছি, যেদিন সাদা গরুটাকে খাওয়া হয়েছে ৷অর্থাৎ গরুটা বুঝতে পেরেছিল, যেদিন সে সাদা গরুটাকে সাহায্য করেনি, সেদিনই সে নিজের মৃত্যুর চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে ৷


আশা করি কাহিনীটি থেকে আপনারা মূল্যবান শিক্ষা পেয়ে গেছেন ৷ প্রথমত, এই গল্পের সাথে বর্তমান উম্মাহর অনেক মিল পাওয়া যাবে ৷ আমরা দেখতে পাচ্ছি একের পর এক মুসলিম জাতির/দেশের পতন ঘটছে ৷ আমরা কি করছি? আমরা শুধু চেয়ে চেয়ে দেখি ৷ যখন ফিলিস্তিনকে কেড়ে নেয়া হল, আমরা কিছুই করিনি ৷ এরপর একের পর এক জাতি বিপদের মুখে পড়তে লাগল - কাশ্মীর, চেচনিয়া, ফিলিপাইনের মুসলিম এবং সর্বশেষ ইরাক ৷ ইরাকে যখন হত্যাযজ্ঞ চলছে, তখন আমরা কিছুই করিনি ৷ এখানেই শেষ নয়, পরবর্তীতে আরো জাতিকে ধরা হবে, কাকে ধরা হবে তা আল্লাহ্ই ভাল জানেন ৷ গল্পটা থেকে বুঝা যায়, যে মুসলিম জাতিগুলো এখনও টিকে আছে সেগুলো প্রথম জাতিটার পতনের সাথে সাথেই পরাস্ত হয়েছে ৷

দ্বিতীয়ত, এ গল্প থেকে অনৈক্যের ফলাফল বুঝা যায় ৷ গরুগুলো যতদিন একসাথে ছিল, ততদিন শত্রু কিছু করতে পারেনি। কিন্তু যেই তারা একজনকে ছেড়ে দিল, তখন কি হল? তারা সকলেই হেরে গেল৷

রসূলুলৱাহ্‌ (সা.) বলেছেন, ‘এই উম্মত হল একটি দেহের মত ৷ যদি দেহের কোথাও ব্যথা লাগে, তাহলে গোটা দেহ জ্বরাক্রান্ত হয় ও ঘুমাতে পারেনা ৷(বুখারী)৷ অর্থাৎ কারও হাত বা পায়ে আঘাত লাগলে, সে ব্যথার কারণে ঘুমাতে পারেনা, এবং তার দেহ ব্যথা সারাতে গিয়ে জ্বরগ্রস্থ হয়ে পড়ে ৷ পূর্ব, পশ্চিম বা উত্তর, দক্ষিণের মুসলিম জাতি ব্যথা পেলে, আপনারও এমন ব্যথা লাগা উচিত যেন আপনার নিজ পরিবার আহত হয়েছে ৷ আপনি যদি শুধু নিজের এবং আপনজনদের নিরাপত্তা নিয়েই চিন্তিত হন - তবে একটা সমস্যা আছে, তখন আপনাকে আর দেহের (উম্মাহ) অংশ বলা যায় না ৷ মুসলিমরা রাষ্ট্র, মাযহাব, দলাদলি নিয়ে বিভক্ত হতে পারে, কিন্তু তাদের বড় পরিচয় তারা মুসলিম (যদি না তারা পথভ্রষ্টদের মধ্যে কেউ হয়) ৷ অনেকে দাবী করেন আমি ও আমার দল মুসলিম’, অন্যরা যেহেতু তাদের দলের অনুসরণ করেন না তাই অন্যরা মুসলিম না ৷ আপনি যতক্ষণ না কোন ভাইকে বা বোনকে কাফের প্রমাণ করতে পারবেন, ততক্ষণ সে মুসলিম [একজন মানুষের অন্তরে ঈমান আছে কি নেই তা দেখার ক্ষমতাও আমাদের নেই বা তা দেখার নির্দেশও আমাদের দেয়া হয়নি ৷ রসূল (সা) আমাদের বাহ্যিক আমল দেখে মুসলিম সনাক্ত করতে বলেছেন ৷ যেমন: নামায, যাকাত, হজ্জ ইত্যাদি]৷

আমরা মুসলিমদের মধ্যে ঐক্য চাই ৷ ঐক্য বলতে বলছিনা দল, মাযহাব সব বাদ দিয়ে সবাইকে একটা জামাতের অনুসরণ করতে হবে ৷ সেটা হয়তো এই মুহূর্তেই সম্ভব নয় ৷ ঐক্য বলতে আমরা বলছি, আপনি যে মুসলিম গোষ্ঠীর (বা group-এরই) হননা কেন, যে মাযহাবের হননা কেন - আপনি বিপদে আপনার ভাইয়ের পাশে এসে দাড়াঁবেন ৷ এটাই ঐক্য!

মুসলিমদের মধ্যে একেকটা দল একেক রকম কাজ করছে - এই বিভিন্নতার দরকার আছে ৷ মুসলিমদের আজ সব ক্ষেত্রে কাজ করতে হবে ৷ কেউ হয়তো দাওয়াহর কাজ করছে, কেউ ইল্‌ম অর্জন করছে, কেউ এবাদতে মশগুল আছে ৷ মানুষ বিভিন্ন রকমের, তাই কাজও বিভিন্ন রকম হবে ৷ মানুষের দক্ষতাও একেক রকম, কেউ ভাল আলেম, কেউ ভাল ইমাম আর কেউ বা ভাল শিক্ষক ৷ কেউ কেউ আছেন যারা কথা কম বলেন, কাজ বেশি করেন ৷ সব ধরনের লোকেরই দরকার আছে ৷

তাই অন্য মুসলিম ভাইদের সাথে আপনার চিন্তাধারার মিল নাও থাকতে পারে, কিন্তু তাদের বিপদে আপনি সাহায্য করবেন - একেই বলে একতা ৷

আমাদের তাই রসূল (সা) হাদীসটির কথা স্মরণ রেখে ও সারা পৃথিবীর মুসলিমদের দুর্দশার কথা চিন্তা করে কষ্ট লাগা উচিত ৷ ফিলিস্তিন, ইরাক বা কাশ্মীরে কি হচেছ সে ব্যাপারে আপনাকে সচেতন হতে হবে, যদিও তা আপনার দেশ নয় ৷ এসব মুসলিম দেশের কয়েকটির মধ্যে বিরোধ থাকতে পারে, যুদ্ধ বা রাজনৈতিক সমস্যাও থাকতে পারে ৷ কিন্তু তাই বলে আপনার মনোভাব একই থাকবে, যা সমস্যা তা সরকারের মধ্যে, সে দেশের মুসলিমরাতো আপনার ভাই ৷

যে মুসলিমদের নিয়ে ভাবেনা সে তাদের অন্তর্ভুক্ত নয় ৷

রসূল (সা.) বলেছেন, ‘একজন মানুষ যাকে ভালবাসে (কেয়ামতের দিন) তার সাথে থাকবে ৷’ আপনি যদি মুসলিমদের ভালবাসেন, তবে মুসলিমদের সাথে থাকবেন (জান্নাতে), আর যদি কাফিরদের ভালবাসেন, তবে আপনার আবাস হবে তাদেরই সাথে (জাহান্নামে) ৷

রসূল (সা.) বলেছেন, কেয়ামতের দিন আল্লাহ বলবেন তোমরা যার উপাসনা করতে তার পিছু পিছু যাও৷তাই যে ক্রুশের উপাসনা করত, সে ক্রুশের কাছে যাবে, যে প্রতিমা পূজা করত, সে প্রতিমার কাছে যাবে ৷ এরপর আল্লাহ এসব মিথ্যা উপাস্যদের জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন এবং তাদের অনুসারীরাও তাদের পিছু পিছু যাবে ৷

গল্পটা থেকে তৃতীয়ত আমরা বিশ্বাসঘাতকতার পরিণাম জানতে পারি, জানতে পারি একজন মুসলিমকে পরিত্যাগ করার কুফল ৷ রসূল (সা) বলেছেন,'যে তার মুসলিম ভাইকে অত্যাচার করেনা, বিশ্বাসঘাতকতা করেনা এবং পরিত্যাগ করেনা সেই (প্রকৃত) মুসলিম ৷(বুখারী ও মুসলিম) 
8:30 AM Posted by Just for you 0

Friday, October 21, 2011

মানুষ সুখী হয়েও অসুখী

আসলে আমরা সবাই সুখী, কিন্তু আমরা বুঝতে পারি না। দিন-রাত সব সময় ঘুরি সুখের পেছনে; আমরা যে সুখের ভেতরেই আছি সেটা খেয়াল করি না।

যখন দুর্গাপুরে থাকি তখন মনে হয় কবে বাড়ি যাব, কবে বাড়ি যাব! মন খালি ছটফট করতে থাকে। আবার বাড়ি গেলেও মন টিকে না। দুর্গাপুরে ফেরার জন্য অস্থির হয়ে উঠি।

একইভাবে, যখন হাই স্কুলে পড়তাম তখন মনে হতো প্রাইমারীই তো ভাল ছিল। কত সুখে ছিলাম, ভাল স্টুডেন্ট ছিলাম, সবসময় ফাস্ট হতাম। বহরমপুরে কলেজে এসেও দারুন মিস করতে থাকি হাই-স্কুল জীবনকে। মনে হয় এটাই ছিল জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সময়।

দুর্গাপুরে এসে দারুন মিস করছি বহরমপুরের লাইফকে। মনে হচ্ছে একদম ভাল লাগে না। বহরমপুর-কলেজ লাইফ কত সুন্দর ছিল! কত আন্তরিক বন্ধু ছিল। দুর্গাপুর লাইফ একটা লাইফ হল!

আসলে যায় দিন ভাল, আসে দিন খারাপ। আমরা সবাই সুখেই আছি কিন্তু আমরা বুঝতে পারি না। কি মনে হয় তোমাদের? 
11:12 PM Posted by Just for you 0

Monday, October 17, 2011

Jokes on bus stop



I’m in Muchipara bus stand now. Waiting for bus. It’ll come in 4.30 am. So, this post is for passing time

i’ve not posted in blogspot from mobile before. So, it’s a new experience to me.

I’ve just bought a ticket in 90 taka. Muchipara to Omarpur…. It’s a long distance..
Hope i’ll reach at my home in morning. My mother is eagerly waiting for me.

Tomorrow my aunty whom i call “Sulekha Aunty” will come to our home. I like aunty a lot.. My cousins Ripa & Rupa will come also. Ripa is very much fond of me.

When Ripa was in class 2, she told her mom, “mom, i love sumon vaia. Plz let me marry him in future”. Such interesting Ripa is!

My Younger brother Sagor’s exam is over. Srabony got A+ . So, it’s time of enjoyment. Hope i’ll spend this vacation with greatest pleasure.

OMG! I’ve just got the news of half hour delay of our bus. That means it’ll come at 11.30!

Not bad. I’m enjoying mobile posting. It’s really painless. But it’s very worm here. I’m swearing.

i’ve taken 4 dvds for Lopa. She is very excited. Hope she’ll enjoy these a lot. It took a long time to select best movies, dramas, songs out of my 670 GB harddisk &write those in only 4 dvds. But i tried my best. I think Lopu will like it.

I’ve become tired pressing keys of mobile. So, i’m finishing this post here.

2:13 AM Posted by Just for you 0

Wednesday, February 9, 2011

মন ভালো করে দেয়া একটি গল্প

অনেক কাল আগের কথা। একজন দরিদ্র লোক একটি দুর্গম পাহাড়ী এলাকায় পানি বহনের কাজ করত। তার দুইটি পাত্র ছিল, একটি লাঠির দুই প্রান্তে পাত্র দুটি ঝুলিয়ে কাঁধে নিয়ে সে পানি বহন করত। রোজ অনেকটা পথ তাকে হেঁটে পাড়ি দিতে হত।
দুটি পাত্রের একটি কিছুটা ভাঙ্গা, আরেকটি ত্রুটিহীন। পানি নিয়ে যেতে যেতে ভাঙ্গা পাত্রটি প্রায় অর্ধেক খালি হয়ে যেত। অপরদিকে ত্রুটিহীন পাত্রটি প্রতিদিন সুন্দরভাবে কানায় কানায় ভরে পানি পৌছে দিত। এভাবে দরিদ্র লোকটি রোজ তার মনিবের বাড়িতে এক পাত্র আর অর্ধেক অর্থাৎ দেড় পাত্র পানি পৌছে দিত।স্বাভাবিকভাবেই, ভালো পাত্রটি তার এ কাজের জন্য খুব গর্বিত ও আনন্দিত থাকত। অপরদিকে ভাঙ্গা পাত্রটির মন খুব খারাপ থাকত। সে খুব লজ্জিত আর বিমর্ষ থাকত। কেননা তাকে যে কাজের জন্য বানানো হয়েছিল সে তার সেই কাজ পুরোপুরিভাবে করতে পারছিল না।

8:18 PM Posted by Just for you 0