TOP NEWS

Showing posts with label Smartphone. Show all posts

Tuesday, December 31, 2013

Sensor Smartphone-এর একটি উল্লেখযোগ্য এবং গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার

হার্ডওয়্যার এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হার্ডওয়্যারগুলো হল প্রসেসর, র‍্যাম, রোম, সেন্সর ইত্যাদি। আজ আমি যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করব তা হল সেন্সর। সেন্সর স্মার্টফোন এর একটি উল্লেখযোগ্য এবং গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার যা স্মার্টফোন ব্যবহারকারির ব্যবহারের আনন্দ কয়েকগুন বাড়িয়ে দেয়। এটা স্মার্টফোন এর অপারেটিং এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেন্সর গুলো অত্যন্ত বুদ্ধিমান ও সংবেদনশীল হয়ে থাকে।
অধিকাংশ এন্ড্রয়েড চালিত স্মার্টফোনে কিছু বিল্ট ইন সেন্সর থাকে যা গতি, অভিযোজন এবং বিভিন্ন প্রকার পরিবেশগত অবস্থা পরিমাপ করে। এই সেন্সর গুলো কিছু কাঁচা তথ্য যথাযথ ভাবে উচ্চ নির্ভুলতার সঙ্গে প্রদান করতে সক্ষম। এই সেন্সর গুলো খুবই দরকারি যদি আপনি একটি ডিভাইসের ত্রিমাত্রিক আন্দোলন, পজিশনিং অথবা ডিভাইসের পরিবেষ্টিত পরিবেশের পরিবর্তন নিরীক্ষন করতে চান। উদাহরন স্বরূপ, একটি ডিভাইসের মধ্যাকর্ষন সেন্সর (Gravity Sensor) ব্যবহারকারির অঙ্গভঙ্গি যেমন, ঢাল,ঝাকুনি,ঘুর্ণন,দোলন (Tilt,Shake,Rotation,Swing) প্রভৃতি হতে প্রাপ্ত ডেটা ট্র্যাক করে একটি গেইম খেলতে সাহায্য করে। অনুরূপভাবে, একটি তাপমাত্রা সংশ্লিষ্ট এপ্লিকেশন একটি ডিভাইসের তাপমাত্রা সেন্সর (temperature sensor) এবং আদ্রতা সেন্সর (humidity sensor) ব্যবহার করে তাপমাত্রা ও শিশিরাংক নিরূপণ হিসেব করে তাপমাত্রা এবং আদ্রতার তথ্য প্রদান করে। অথবা, হতে পারে একটি ট্র্যাভেল এপ্লিকেশন একটি ডিভাইসের ভূচৌম্বকিয় ক্ষেত্রের সেন্সর (geomagnetic field sensor) এবং গতি নির্ধারক যন্ত্র (accelerometer) ব্যবহার করে দিক নির্দেশনা প্রদান করে।
এন্ড্রয়েড প্লাটফর্ম প্রধানত তিন শ্রেণীর সেন্সর সমর্থন করে।







মোশন সেন্সর (Motion sensors)
এই জাতীয় সেন্সর গুলো একটি ডিভাইসের উপর আরোপিত তিনটি অক্ষের  (x, y, z) ত্বরণ বল এবং আবর্তনশীল বল পরিমাপ করে। এই শ্রণীর সেন্সর গুলোর মধ্যে রয়েছে accelerometers, gravity sensors, gyroscopes এবং rotational vector sensors.


এনভাইরোনমেন্টাল বা পরিবেশগত সেন্সর (Environmental sensors)
এই জাতীয় সেন্সর গুলো একটি ডিভাইসের উপর আরোপিত বিভিন্ন পরিবেশগত ঘটনাবলী যেমন, পরিবেষ্টিত বায়ুর তাপমাত্রা ও চাপ, আলোকসজ্জ্বা এবং বায়ুর আদ্রতা নির্ণয় করে। ব্যারোমিটার, ফটোমিটার, থার্মোমিটার (barometers, photometers, and thermometers) এই শ্রেণীর অন্তর্ভূক্ত।


পজিশন বা অবস্থান সেন্সর (Position sensors)
এই জাতীয় সেন্সর একটি ডিভাইসের প্রকৃত অবস্থান নির্ণয় করে। স্থিতিবিন্যাস সেন্সর এবং ম্যাগনেটোমিটার (orientation sensors and magnetometers) এই শ্রেণীর অন্তর্ভূক্ত।
ডিভাইসের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন প্রকার সেন্সর ব্যবহার করা হয়। ডিভাইসের গঠন, রেজুলেশন প্রভৃতি ভেদে বিভিন্ন মাত্রার সেন্সর ব্যবহৃত হয়। কিছু সেন্সর হার্ডওয়্যার ভিত্তিক কিছু সফটওয়্যার ভিত্তিক। খুব কম ডিভাইসে সকল সেন্সর ব্যবহার করা হয়। কিছু কিছু সেন্সরের কাজ এক হলেও ডিভাইসের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে এইসব সেন্সর ব্যবহার করা হয়। আবার প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে একটি ডিভাইসে একই প্রকৃতির সকল সেন্সর ব্যবহৃত হয়। নিম্নে বিভিন্ন প্রকার সেন্সরের নাম, প্রকৃতি ও তাদের কাজ সংক্ষেপে আলোচনা করা হল। -


Accelerometer Sensor :
Type - Hardware
এই সেন্সর ডিভাইসের উপর আরোপিত মধ্যাকর্ষন বল সহ তিনটি শারীরিক অক্ষ (x, y, z) এর ত্বরণ বল m/s2 এককে সঠিক ভাবে পরিমাপ করতে পারে। এটি অঙ্গভঙ্গি সনাক্তকরন (Motion detection) যেমন, ঝাকুনি, ঢাল ইত্যাদি (shake, tilt, etc.) কাজে ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন প্রকার 2D/3D মোশন গেইমস খেলার সময় এটি প্রয়োজন হয়।ডিভাইসের পর্দার আবর্তন বা ঘুর্ণনের (Rotation) কাজ করে। আপনি ডিভাইসটি কিভাবে ধরেছেন সেটি সনাক্ত করে ভিজুয়াল আউটপুট প্রদান করে।


Ambient Temperature Sensor :
Type - Hardware
এটি একটি পরিবেষ্টিত কক্ষের তাপমাত্রা ডিগ্রি সেলসিয়াসে (°C) পরিমাপ করতে পারে। বায়ুর তাপমাত্রা প্রদর্শনে (Monitoring air temperatures) ব্যবহূত হয়।


Gravity Sensor :
Type - Software or Hardware
এটি একটি ডিভাইসের তিনটি অক্ষের (x, y, z) উপর আরোপিত মধ্যাকর্ষন বল m/s2 এককে পরিমাপ করতে পারে। এটি অঙ্গভঙ্গি সনাক্তকরন (Motion detection) যেমন, ঝাকুনি, ঢাল ইত্যাদি (shake, tilt, etc.) কাজে ব্যবহৃত হয়। মোশন গেইমস খেলার সময় এটি প্রয়োজন হয়। ডিভাইসের পর্দার আবর্তন বা ঘুর্ণনের (Rotation) কাজ করে। এর কাজও Accelerometer Sensor এর মতই।


Gyroscope Sensor :
Type - Hardware
এটি একটি ডিভাইসের তিনটি শারীরিক অক্ষের  (x, y, z) প্রত্যেকটির ঘূর্ণনের হার rad/s এককে পরিমাপ করে। ঘুর্ণন সনাক্তকরন (Rotation detection) যেমন, পাক খাওয়া/ঘুরা, ঘুরানো/উল্টানো (spin, turn, etc.) ইত্যাদি কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি ছয় দিক থেকে একই সময়ে পরিমাপ করতে পারে। আপনি ডিভাইসটি যেকোন দিকে হালকা ঘুরালেই এর ফলাফল তাৎক্ষণিক ভাবে দেখতে পাবেন। বর্তমানে এই সেন্সরটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ত্রিমাতৃক গেইম উন্নয়নের কাজে ব্যবহৃত হয়।


Light Sensor :
Type - Hardware
পরিবেষ্টিত আলোর মাত্রা (illumination/দীপন)lx এককে পরিমাপ করে। পর্দার আলো নিয়ন্ত্রনে (Controlling screen brightness) ব্যবহৃত হয়। এটি ডিভাইসের পরিবেষ্টিত পরিবেশের আলোর তীব্রতা সনাক্ত করে এবং এর মাধ্যমে ডিভাইস আলোতে নিলে পর্দার উজ্জ্বলতা বাড়ে আবার অন্ধকারে নিলে উজ্জ্বলতা কমে। ব্যাটারীর শক্তি বাঁচাতে (Battery Power Saving) সাহায্য করে।


Linear Acceleration Sensor :
Type - Software or Hardware
একটি ডিভাইসের উপর আপতিত মধ্যাকর্ষন বল ব্যতীত তিনটি অক্ষের  (x, y, z) প্রতিটির ত্বরণ বল m/s2 এককে পরিমাপ করে। একটি একক অক্ষ বরাবর ত্বরণ পর্যবেক্ষন (Monitoring acceleration along a single axis) করে।


Magnetic Field Sensor :
Type - Hardware
সকল তিনটি শারীরিক অক্ষ  (x, y, z) এর জন্য পরিবেষ্টিত ভূচৌম্বকীয় ক্ষেত্র μT এককে পরিমাপ করে। এটি কম্পাস (compass) বা দিক নির্ণয়ের কাজে ও ধাতু সনাক্তকরণের কাজে ব্যবহৃত হয়।


Orientation Sensor :
Type - Software
একটি ডিভাইসের কাছাকাছি সকল তিনটি শারীরিক অক্ষ (x, y, z)  এর আবর্তনের ডিগ্রি পরিমাণ করে। API স্তর ৩ হিসেবে আপনি get rotation matrix এর সাথে মধ্যাকর্ষন সেন্সর (gravity sensor) এবং ভূচৌম্বকীয় ক্ষেত্রের সেন্সর (geomagnetic field sensor) সংযোগ করে একটি ডিভাইসের জন্য বাঁক ম্যাট্রিক্স (rotation matrix) লাভ করতে পারেন। এটি ডিভাইসের অবস্থান নির্ণয়ের (Determining device position) কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি ডিভাইসের অবস্থান নির্দেশন সনাক্ত করে এবং স্বয়ংক্রিয় ভাবে পর্দাকে আবর্তিত করে যখন ডিভাইসটি উলম্ব অথবা আনুভূমিক ভাবে ধরা হয়। এটাকে আবার স্পিরিট লেভেল পরিমাপ করার যন্ত্র হিসেবেও ব্যবহার করা হয়।


Pressure Sensor :
Type - Hardware
hPa অথবা, mbar এর মধ্যে পরিবেষ্টিত বায়ুর চাপ পরিমাপ করে। বায়ুর চাপ পরিবর্তন নিরীক্ষনের (Monitoring air pressure changes) কাজে ব্যবহৃত হয়।


Proximity Sensor :
Type - Hardware
একটি ডিভাইসের পর্দার দৃশ্য (screen view) থেকে একটি বস্তুর নৈকট্য আপেক্ষিক সে.মি. পরিমাপ করে। এই সেন্সর মূলত একটি হ্যান্ডসেট একজন ব্যক্তির কান পর্যন্ত স্থির হয়েছে কিনা জানতে ব্যবহৃত হয়। কল করার সময় ফোনের অবস্থান নির্ণয়ের (Phone position during a call) কাজ করে। এর মাধ্যমে আপনি যখন ফোনে কোন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলার জন্য ফোনটি কানের কাছে নিবেন তখন ডিসপ্লের আলো স্বয়ংক্রিয় ভাবে নিভে যাবে এবং ফোন কানের কাছ থেকে সরিয়ে আনলে আবার জ্বলে উঠবে।



Relative Humidity Sensor :
Type - Hardware
পরিবেষ্টিত আপেক্ষিক আদ্রতা শতাংশে (%) পরিমাপ করে। শিশির বিন্দু নিরীক্ষন (Monitoring dewpoint), পরম এবং আপেক্ষিক আদ্রতা (absolute, and relative humidity) পরিমাণ করে।


Rotation Vector Sensor :
Type - Software or Hardware
ডিভাইসের ঘুর্নন ভেক্টর (rotation vector) তিনটি উপাদান প্রদানের মাধ্যমে একটি ডিভাইসের স্থিতিবিন্যাস ব্যবস্থা পরিমাপ করে। অঙ্গভঙ্গি সনাক্তকরন (Motion detection) এবং ঘুর্ণন সনাক্তকরন (rotation detection) কাজে ব্যবহৃত হয়।


Temperature Sensor :
Type - Hardware
একটি ডিভাইসের তাপমাত্রা ডিগ্রি সেলসিয়াসে  (°C) পরিমাপ করে। এই সেন্সর বিভিন্ন প্রকার ডিভাইসের যন্ত্রপাতিদ্বয় এবং Ambient Temperature Sensor API Level 14 এর সঙ্গে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। তাপমাত্রা নিরীক্ষনের (Monitoring temperatures) কাজে ব্যবহৃত হয়।



Source : Techtunes.com
4:32 PM Posted by Just for you 0

ROOT ব্যাপারটা আসলে কি? কেন রুট করবেন? রুট করলে সুবিধা ও অসুবিধা কি?

রুট ব্যাপারটা আসলে কি? কেন রুট করবেন? রুট করলে সুবিধা ও অসুবিধা কি? আসুন আজ আমরা তা জেনে নেই ...



অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা প্রায়ই শুনে থাকবেন এই শব্দটি । বিভিন্ন সাইটে এই বিষয়টি নিয়ে অনেক ধরনের ধারনা রয়েছে । তবে আজকে আমার প্রাথমিক ধারনা আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছি । অনেক অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস ব্যবহারকারীরাই রুট কী এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানেন না । অনেকে মনে করেন রুট করার মাধ্যমে ডিভাইসের পরিপূর্ণ পারফরম্যান্স পাওয়া সম্ভব, আর তাই অনেকেই রুট করতে আগ্রহী হয়ে পড়েন । কিন্তু রুট করার পর দেখা যায় তাদের ডিভাইসের পারফরম্যান্স আগের মতোই রয়ে যায় বা আগের চেয়ে খারাপ হয়ে পরে । তারা হতাশ হয়ে পড়েন এ অবস্থা দেখে । কিন্তু তাদের মাঝে অজানাই থেকে যায় যে রুট করার আসল সার্থকতা কোথায় । আজকের আমি আমার এই লেখার মাধ্যমে আপনাদের সামনে রুট করার কারন , কেন করবেন , রুট করার উপকারিতা এবং অপকারিতা তুলে ধরার চেষ্টা করব । এবং আমার ধারনা আপনাদের মনে রুট বিষয়টি নিয়ে আর কোন সন্দেহ মুলক ধারনা থাকবে না ।

রুট ব্যাপারটা আসলে কী?
রুট শব্দটি এসেছে লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম থেকে । লিনাক্স ব্যবহারকারীদের মধ্যে যাদের রুট প্রিভিলেজ বা সুপারইউজার পারমিশন আছে তাদেরকে রুট ইউজার বলা হয় । সবচেয়ে সহজ শব্দে বলা যায় , রুট হচ্ছে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বা প্রশাসক যদিও এর বাংলা অর্থ গাছের শিকড় । রুট হচ্ছে একটি পারমিশন বা অনুমতি । এই অনুমতি থাকলে ব্যবহারকারী তার নিজের ডিভাইসে যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন । উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী অ্যাডমিনিস্ট্রেটর প্রিভিলেজ ছাড়া সিস্টেম ফাইলগুলো নিয়ে কাজ করতে পারেননা , লিনাক্সেও তেমনি রুট পারমিশন প্রাপ্ত ইউজার ছাড়া সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কাজগুলো করা সম্ভব হয়ে উঠে না । যার লিনাক্স-চালিত কম্পিউটার বা সার্ভারে সব কিছু করার অনুমতি রয়েছে, তাকেই আমরা রুট ইউজার বলে থাকি । অনেক সময় একে আমরা সুপার ইউজার বলেও সম্বোধন করা হয়ে থাকে ।


অ্যান্ড্রয়েড এবং লিনাক্স এর মধ্যে সামঞ্জস্য কোথায় ?
আপনাদের মনে প্রশ্ন আসতে পারে যে কেন আমি আন্ড্রয়েড নিয়ে কথা বলতে বলতে লিনাক্স এর কথা তুলে নিয়ে আসলাম । আসলে এন্ড্রয়েড তৈরি হয়েছে লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম মুল ভিত্তি থেকে ।


লিনাক্স এ ইউজার পারমিশন আমরা খুব সহজে পেয়ে থাকি কিন্তু আমরা এন্ড্রয়েডে পারি না কেন ?
সাধারনত লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম আমরা ইন্সটল করতে পারি তার তাই আমরা ইউজার পারমিশন কোড আমরা জেনে থাকি । কিন্তু আন্দ্রয়েড মোবাইল আমরা বাজার থেকে ক্রয় করে থাকি এবং তার অপারেটিং সিস্টেম সিস্টেম ইন্সটল ডিভাইস প্রস্তুতকারক করে থাকে । ডিভাইস প্রস্তুতকারক যখন মোবাইলের মধ্যে অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করে তখন তাদের হাতে এই ইউজার পারমিশন কোড থেকে যায় । আর তাই আমাদের হাতে সেই ইউজার পারমিশন থাকে না । এখন আপনার প্রশ্ন আসতে পারে কেন আমাদেরকে এই ইউজার পারমিশন কোড দেওয়া হয় না । আসলে ডিভাইস প্রস্তুতকারক মোবাইলের সুরক্ষা এবং নিরপ্ততার জন্য আমাদেরকে এই কোড দিয়ে থাকে না ।
কিন্তু তাই বলে এই নয় যে আমরা ইউজার পারমিশন কোড পাব না । আমরা ডিভাইস প্রস্তুতকারকদের কাছ থেকে আমরা এই কোড সংগ্রহ করে এন্ডয়েড মোবাইলের ইউজার পারমিশন পেতে পারি । উদাহরণ হিসেবে আমি বলতে চাই সনি , HTC এর মত ব্রান্ড এর মোবাইল যখন ব্যবহার করি তখন আমরা তার ইউজার পারমিশন পাওয়ার জন্য তাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে বুটলডার আনলক কোড সংগ্রহ করে থাকি । এই বুটলডার আনলক রুট পারমিশন পাওয়ার একটি অংশ ।


আন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম এক হওয়া সত্ত্বেও ভিন্ন ভিন্ন মোবাইল ভিন্ন রকম এর কারন কি ?
আপনাদের মনে হয়ত প্রশ্ন জাগতে পারে যে যতগুলো মোবাইল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান রয়েছে তাদের সবার ভিন্ন ভিন্ন লুক এর অপারেটিং হয়ে থাকে । অপারেটিং সিস্টেমের মূল ভিত্তিটা এক হলেও একেক কোম্পানি একেকভাবে একে সাজাতে বা কাস্টোমাইজ করতে পারেন । এই জন্যই সনির একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ইউজার ইন্টারফেসের সঙ্গে এইচটিসির একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ইন্টারফেসের মধ্যে খুব কমই মিল পাওয়া যায়।


আন্ড্রয়েড মোবাইলে কেন রুট করা থাকে না ?
মোবাইল প্রস্তুত কারক প্রতিষ্ঠান যখন তাদের মোবাইল গুলো বাজারজাত করে তখন মোবাইল গুলোতে রুট পারমিশন দেওয়া হয় না । কারন হল রুট পারমিট করা থাকলে আপনি তখন আপনার মোবাইলে যে কোন কিছু করতে পারবেন । আপনি মোবাইলের রুট ফোল্ডাররে যেতে পারবেন ( মোবাইলের অপারেটিং সিস্টেম ফোল্ডার ) ।  আপনি যে কোন ফাইল ডিলিট , এডিট করতে পারবেন । আপনার মোবাইলে যখন রুট পারমিট করা থাকবে তখন আপনি কোন ফাইল ডিলিট বা সরিয়ে নিলে আপনাকে কোন ওয়ার্নিং দিবে না । আপনি হয়ত মনে করছেন এই ফাইল গুলো আপনার কোন প্রয়োজনে আসবে না আর তাই আপনি ফাইল গুলো ডিলিট করে দিয়েছেন । হয়তো আপনি কাস্টমাইজ করতে গিয়ে বা রম ইন্সটল করতে গিয়ে ভুল করে ফোন ব্রিক করে ফেলেছেন । এতে কিছুক্ষণ পর দেখতে পারলেন যে আপনার মোবাইল আর চালু হচ্ছে না । আপনি তখন আপনার মোবাইল প্রস্তুত কারকে দোষারোপ করতে থাকবেন । যদি রুট না থাকতো তাহলে আপনি ফাইল গুলো ডিলিট এডিট তো দুরের কথা আপনি আই ফোল্ডারটি খুজে পেতেন না । ফোন প্রস্তুতকারক আপনাকে অনেক সুযোগ সুবিধা দিলেও এই সব পারমিশন তারা তাদের সুবিধার্থে দেয় না । এটা করা হয় আপনার ভালোর জন্যই ।


কেন আপনি আপনার আন্ড্রয়েড ডিভাইসটি রুট করবেন?
আপনি তখনি রুট করার চিন্তা করবেন যখন আপনার মোবাইলে সব ধরনের সুযোগ ব্যবহার করতে পারছেন না , আপনার মোবাইল আপনাকে কোন সীমার মধ্যে বেধে রেখেছে । যারা একদমই নতুন এই বিষয় ভালভাবে কিছু জানেন না তারা তাদের মোবাইল রুট করার চিন্তা  কিছুদিন পর করার সিদ্ধান্ত নিবেন । তার কারন আপনি আগে ভাল করে বুঝে নিন কেন আপনি রুট করবেন , এবং রুট করার পর আসলেই আপনার উপকার হবে কি না । অনেকে না বুঝে রুট করে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়েছে । তাই আমি তাদের উদ্দেশ্যে বলছি সাবধানতার মাধ্যমে আপনি আপনার মোবাইল রুট করুন ।

আমরা আসলে অনেক কারনে আন্ড্রয়েড মোবাইল রুট করে থাকি । বর্তমানে কিছু কিছু অ্যাপ্লিকেশান এখন বের হয়েছে যা ব্যবহার করতে রুট পারমিটের প্রয়োজন হয়ে পড়ে । কেউ কেউ ওভারক্লকিং করার মাধ্যমে মোবাইলের স্পীড বাড়ানোর জন্য রুট করে থাকেন । কেউ ডেভেলপারদের তৈরি ভিন্ন ভিন্ন সাধের কাস্টম রম ব্যবহার করার জন্য , কেউ গেম খেলার জন্য । আরও অনেক কারন আছে যেই কারনে রুট করা হয়ে থাকে । এই কারন গুলো থেকে থাকলে রুট করা আমি মনে করি ভাল । কিন্তু অকারন অবশত রুট করে বিপদে পড়ার কোন প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করছি না ।


রুট করার কিছু সুবিধা  ---
বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে মোবাইলের অব্যবহৃত ফাইল, টেমপোরারি ফাইল ইত্যাদি নিয়মিত মুছে ফোনের গতি ঠিক রাখা । এছাড়াও মোবাইলের পারফরমেন্স বাড়ানো যায় বলে আর অনেক ভাবে । ওভারক্লকিং করা সিপিইউ স্পিড স্বাভাবিক অবস্থায় যতটা থাকে তারচেয়ে বেশি দ্রুত কাজ করে । এর মাধ্যমে কোনো বিশেষ কাজে প্রসেসরের গতি বাড়ানোর প্রয়োজন পড়লে তা করা যায় । যখন মোবাইল এমনিতেই পড়ে থাকে, তখন সিপিইউ যেন অযথা কাজ না করে যে জন্য এর কাজের ক্ষমতা কমিয়ে আনা যায় আন্ডারক্লকিং করে । এতে করে ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ানো সম্ভব । এছাড়াও রুট করে কাস্টম রম ইন্সটল করার সুবিধা রয়েছে । অনেক ডেভেলপার বিভিন্ন জনপ্রিয় মোবাইলের জন্য কাস্টম রম তৈরি করে থাকেন । এসব রম ইন্সটল করে আপনি আপনার মোবাইলকে সম্পূর্ণ নতুন একটি সেটের রূপ দিতে পারবেন । আপনি সফটওয়্যার ব্যবহার করে আপনার রাম এর স্পীড বাড়াতে পারবেন , প্রসেসরের স্পীড বাড়াতে পারবেন তবে কোন হার্ডওয়্যার বা অন্যান্য কোন কিছু বাড়াতে পারবেন না । আপনি ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরাকে ১৬ মেগাপিক্সেল করতে পারবেন না । যেই মোবাইলে NFC নেই তাতে তা সংযোগ করতে পারবেন না । রুট শুধু মাত্র আপনার অভ্যন্তরীণ পারফরম্যান্সে কাজে আসবে , বাহ্যিক কোন পরিবর্তন নয় ।

রুট করার কিছু অসুবিধা রয়েছে  ---
সর্ব প্রথম মোবাইল রুট করার মাধ্যমে আপনার ওয়ারেন্টি বাতিল হয়ে যাবে । তাই রুট করার আগে সাবধান । অবশ্য অনেক মোবাইল আবার আনরুট করা যায় । আর মোবাইল আনরুট করা হলে তা সার্ভিস সেন্টারে থাকা টেকনিশিয়ানরা অনেক সময়ই ধরতে পারেন না যে সেটটি রুট করা হয়েছিল কি না । তবে কাস্টম রম থাকলে ধরা খাওয়া বাধ্যতামূলক । অনেকে মোবাইল ব্রিক নিয়ে অনেক কথাই বলেছে। এখন কথা হল ব্রিক মানে কি ? ব্রিক অর্থ ইট । আর ফোন ব্রিক মানে আপনার ডিভাইসকে ইটে রূপান্তরিত করা বা নষ্ট হয়ে যাওয়া । অর্থাৎ আপনার মোবাইল কাজ করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে । রুট করা ও এর পরবর্তী বিভিন্ন কাজের সময় যদি কোন ভুল ত্রুটি হয় তাহলে ফোনে স্থায়ী বা অস্থায়ী সমস্যা হতে পারে । প্রস্তুতকারক কোম্পানি ফোনটি আনরুট অবস্থায় দেন যাতে আপনার মোবাইলের কোন ক্ষতি না হয় । রুট করার মাধ্যমে আপনি সেই নিশ্চয়তা ভেঙ্গে ফেলছেন । এখন এর সম্পূর্ণ দায়ভার আপনাকে গ্রহন করতে হবে । রুট করলে দেখা যায় অনেক সময় অনেক ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম রুট করা ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিতে পারে । কিন্তু লক থাকা অবস্থায় ব্যবহারকারী নিজেই রুট অ্যাক্সেস পান না , তাই অন্য প্রোগ্রামগুলোর রুট অ্যাক্সেস পাওয়ার সম্ভাবনাও নেই বললেই চলে ।



পরিশেষে যদি কিছু বলতে চাই তাহলে বলব যে কিছু করার আগে ভাল করে জেনে নেওয়া ভাল । রুট আপনি যদি ঠিক মত বুঝে নিতে পারেন তাহলে আপনার কাছে তা খুব এ সহজ আর যদি না পারেন তাহলে তা খুবই কঠিন ...
আসা করছি আমার পোস্ট আপনাদের ভাল লাগবে । আপনাদের জন্য আর ভাল পোস্ট নিয়ে আবার হাজির হব আমি ইনশাআল্লাহ্‌...

সাইট পোস্ট ঃ http://androidsomogro.com/what-is-root/
4:23 PM Posted by Just for you 0